প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ সোমবার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘এসডিজি অর্জনে পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত কাঠামো: নীতি, অংশীদারত্ব ও অগ্রাধিকার’ শীর্ষক জাতীয় সম্মেলন-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, এসডিজির মূলনীতি ‘কাউকে পেছনে ফেলে নয়’-এর সঙ্গে বর্তমান সরকারের জননীতির মিল রয়েছে। সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে সব শ্রেণি-পেশার জনগণের স্বার্থ নিশ্চিত করা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপির সব পরিকল্পনা ও কর্মসূচি জনগণের জন্য। তিনি উল্লেখ করেন, স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ‘ভিশন ২০৩০’ এবং বর্তমান রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফার লক্ষ্যগুলোর সঙ্গে এমডিজি ও এসডিজির মধ্যে খুব বেশি অমিল নেই।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ এমডিজি বাস্তবায়নে সাফল্য দেখিয়েছে এবং একইভাবে এসডিজি বাস্তবায়নের জন্য যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। প্রধানমন্ত্রী জানান, দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শোষণ-শাসনের ফলে বাংলাদেশ একটি ঋণনির্ভর রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছিল এবং এখন পুনর্গঠনের সময় এসেছে।
বর্তমান সরকারের পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত অর্থনৈতিক কাঠামো বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, যা জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনাকে জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে সমন্বিত করেছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দারিদ্র্য বিমোচন, সামাজিক সুরক্ষা, মানসম্মত শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা, জেন্ডার সমতা এবং সুশাসন এসডিজির মূল অগ্রাধিকার।
তিনি জানান, স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণ এবং এসডিজি বাস্তবায়নে অর্জিত অগ্রগতি সুসংহত করতে সরকার ‘পুনরুদ্ধার-পুনর্বাসন-পুনর্গঠন’ কৌশল গ্রহণ করেছে। এছাড়া, নারীর ক্ষমতায়ন, কৃষকের স্বার্থ রক্ষা এবং জনস্বাস্থ্য সেবা সহজ করতে বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।